শ্রীমান কেল্টু কুমারের জীবন পঞ্জিকা।
“আমি শৈশব, কৈশোর, যৌবনকাল অতিবাহিত করে বার্ধক্য কালে পদার্পন করে বানপ্রস্থ জীবনের দিকে রুটমার্চ করে বুক ফুলিয়ে এগিয়ে চলেছি।” স্বাভাবিক বাধর্ক্যজনিত কারনেই অসুস্থতা এখন নিত্যসঙ্গী। শৈশবে আমি খুবই শান্তশিষ্ট, লেজবিসিস্ঠ ...........বাবা মায়ের খুবই বাধ্য (পড়বেন অবাধ্য) সন্তান ছিলাম। পড়াশোনায় মোটামুটি। প্রথম শ্রেণী থেকে একাদশ শ্রেণী অবধি মেধার নিরীক্ষে স্থানিয় বিদ্যালয় গুলিতে এক থেকে দুই স্থানের এর মধ্যে বিচরণ করতাম। বিদ্যালয়ে যাওয়ার প্রথম দিনের ঘটনা কুয়াশার ধোঁয়ার মতো হাল্কা স্মৃতি হিসাবে এখনও অবধি বর্তমান। “আমার কাচে ঘসা অস্পষ্ট স্মৃতি শক্তি অনুযায়ী আমি তখন আমাদের এক গ্রাম্য অবৈতনিক প্রাইমারি বিদ্যালয়ের ক্লাস টু কিংবা থ্রি এর ছাত্র, তখন আমি মোটেই শান্ত বালক ছিলাম না। আমাদের অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়টির পরিবেশ, পৌরাণিক কাহিনীর পাঠশালা ধরনের পরিবেশ ছিল। একটা একশো ফুট লম্বা টানা ঘর বিশিষ্ট মুলি বাঁশের বেড়া দিয়ে বেস্টিত লম্বা টিনের দোচালা গৃহে প্রথম শ্রেণী থেকে চতুর্থ শ্রেণী অবধি ভাগ ভাগ কে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। প্রত্যেক শ্রেণীতে...