৵৵৵শেষ পারানি, পর্ব - ১৫R1৵, খন্ড - ১/১।
শেষ পারানি সন্তানই যে দেখবে আমায়, সেই ধারণা ছাড়তে হবে , তোমরা যারা চমকে তাকাও, প্রশ্ন করো 'আর কে তবে?'। তাদের বলি, সে এক সময়, বাড়ি হতো সাত পুরুষের, মানুষ ছিলো নোঙর বাঁধা, বাসায় ফিরে আসত সে ফের। কাজের শেষে, বৃদ্ধ হলে জায়গা নিতো প্রজন্ম তার, পাল্টে গেছে সে সব এখন, যুগটা এখন অস্থিরতার। মালদা যদি দাদুর বাড়ি, বাবা থাকেন বেঙ্গালুরু, আরো সুদূর রাজ্যে কোনো ছেলের চাকরি জীবন শুরু। কিংবা মেয়ে বিদেশ গেছে উচ্চতর জ্ঞানের খোঁজে, যেখানে যাক, প্রজন্মের আজ হয়না ফেরা খুব সহজে । চারিদিকে তাকিয়ে দেখো, গজায় হাজার বৃদ্ধআবাস , সাপ্লাই আর ডিমাণ্ড বুঝে, ইকনমির সূত্র তা খাস। সব সন্তান পাষাণ-হৃদয়, সেই ধারণার ভিত কিছু নেই, স্মৃতির ভেতর দিয়ে দেখি, ভুল হয়ে যায় হয়তো তাতেই । সে এক সময় ছুটি হলে, ফিরতো সবাই ‘দেশের বাড়ি’, মোড়ের মাথার গাছটা দেখেই বুকের ভেতর হাঁকপাতাড়ি । সে এক সময়, মেজো সেজো ন’রাঙাদের সম্বোধনে, ঘর বলে এক চিরস্থায়ী আকাশ ছিলো সবার মনে। এখন সময় বদলে গেছে, সাকিন মাপা স্কোয়ার ফুটে, দিদুন কেমন আছো বলে আসে না আর নাতনি ছুটে। কারণ তাদের বাবা মায়ের বদলে...