Posts

Showing posts from September, 2023

✓✓✓ অন্তর্যামী। পর্ব - ১৭, খন্ড - ১/১।

Image
অন্তর্যামী। পর্ব  - ১৭, গত কয়েক মাসের মধ্যেই তিন কি চার জন অতি পরিচিত সহৃদয় বন্ধু এবং সিনিয়র দাদাসম পথ প্রদর্শক গুরু কে চিরতরে হারিয়ে  শ্রীযুক্ত কালীচরণ মুখোপাধ্যায় মহাশয়ের মতিভ্রম হয়েছে। সেই কারণেই অনেক দিন পর পাঠকসমাজের পীড়াপীড়িতে এবং অনুরোধের পর তার রচিত অন্তর্যামী কাহিনী - পর্ব ১৭ কিছু অংশ তাঁরই অনুমতিক্রমে প্রকাশ করা হল।  কেমন আছো?              এইতো আছি।  কোথায় থাকো?             কাছাকাছি।  বদলে গেছো?                সবাই বলে।  তারপর সব ?                 যাচ্ছে চলে।  বিয়ে - সাদী?                  লাভ কি শুনে।  কতদিন হলো?                রাখিনি গুনে।  ছেলে হয়েছে?                 একটি মেয়ে। কোথায় এখন?                ঘুমালো খেয়...

✓✓✓ পূর্ব পাকিস্তানের ভ্রমণ কাহিনী - পর্ব ১০**, খন্ড - ১১ / ১১

Image
আমার ধারাবাহিক পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশের) ভ্রমণ কাহিনী  - পর্ব  ১০, খন্ড ১ । পাঠকজনের অনেক অনুরোধের পর বহুদিন পর শ্রীযুক্ত কালীচরণ মুখোপাধ্যায় মহাশয় আজ থেকে প্রায় ৬০ বছর আগে তার শৈশবকালে (৭/৮ বছর বয়সের) সম্ভবত ১৯৬৩-৬৪ নাগাদ পিতৃদেবের সহিত  পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশের) ভ্রমণপর্বের কাহিনীর অসপষ্ট হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি ভান্ডার থেকে তুলে আনা ভ্রমণ কাহিনীর অভিজ্ঞতার কিছু অংশ তাঁরই অনুমতিক্রমে প্রকাশ করা হল।   ঘটনাটির সময়কালের সঠিক তারিখ মাস বছর এই সময়ের স্মরণ শক্তির ভান্ডার হাতরে পাঠকজনের সামনে   ঠিকমতো উপস্থাপন করা সম্ভব হল না বলে দুঃখিত।  সেই সময়ে আমার বয়স খুব বেশি হলে ৭ কি ৮ বছর হবে। বাবা পূর্ব পাকিস্তানের তার পৈতৃক বসতবাড়ি নোয়াখালীর বাহাপুর  এবং আমার মামার বাড়ী নোয়াখালীর চৌমনিতে যাবার পরিকল্পনা করেছিলেন।  আমার এর পূর্বে কখনো পূর্ব পাকিস্তানের যাওয়ার সুযোগ হয় নি। তাই বাবার লেজুড় হয়ে ফারাক্কা পদ্মা হয়ে পূর্ব পাকিস্তানের যাওয়ার জন্য বাবার সাথে পাড়ি দিলাম।  সেই সময়ের স্মৃতি ভান্ডার থেকে হালকা হালকা অসপষ্ট অতীতের হারিয়ে যাও...

✓৵৵ কাশ্মীরের ভ্রমণ কাহিনী ।

Image
কাশ্মীরের ভ্রমণ কাহিনী ।  শ্রীযুক্ত কালীচরণ মুখোপাধ্যায়ের কথা পাঠকজনের স্মৃতি ভান্ডারে এখনো আছে নিশ্চয়ই।  তাই কোনোরকম ভুমিকা না করেই আমার কাশ্মীর ভ্রমণের অভিজ্ঞতার বর্ণনা পর্বে আসা যাক। সময় টা ছিল ২০০৭ সালের মে মাস, কলকাতার প্যাচপ্যচে বৃষ্টি এবং গরমের হাঁসফাঁস থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সপরিবারে সদলবলে আর ও তিন বন্ধুর পরিবারের সদস্যদের সাথে মোট পনেরো জন সদস্যের একটি দল "কলিকাতা" রেলওয়ে স্টেশন থেকে "জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেসে" "কাশ্মীরের" উদ্দেশ্যে রওনা হলাম।  কাশ্মীরে এর পূর্বে আমাদের কারো কোনো ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ছিল না। তাই এই অভিযান শুরু হওয়ার আগেই স্থানীয় এক টুর কনডাকটেড সংস্থার সাথে যোঘাযোগ করে ২০ দিনের প্যাকেজ টুরের মাধ্যমে নাম নথিভুক্ত করে রেখেছিলাম, টোটাল প্যাকেজ টুরের মাথাপিছু ১২ বছরের অধিক সদস্যদের জন্য ১২০০০ টাকা এবং ৫ থেকে ১২ বছরের সদস্যদের জন্য ৭০০০ টাকা ধার্য্য করা হয়েছিল।  টুর সংস্থার দ্বায়িত্ব ছিল কলকাতা থেকে যাত্রা আরম্ভ করার পর থেকে সমগ্র টুর ( গন্তব্য ও দর্শনীয় স্থান  - "জম্মু", "শ্রীনগর", "ডাল লেক", "গুলমার্গ...

✓✓✓ নেপালের ভ্রমণ কাহিনী - পর্ব ১১R1৵, খন্ড - ৭/৭

Image
আমার ধারাবাহিক  নেপালের ভ্রমণ কাহিনী  - পর্ব  ১১, খন্ড ১। বহুদিন পর শ্রীযুক্ত কালীচরণ মুখোপাধ্যায়ের ভ্রমণ কাহিনীর স্মৃতি ভান্ডার থেকে তুলে আনা তার ভ্রমণের অভিজ্ঞতার কিছু অংশ তাঁরই অনুমতিক্রমে প্রকাশ করা হল।  ঘটনাটির সঠিক সময়কালের তারিখ মাস বছর এই সময়ের স্মরণ শক্তির ভান্ডার হাতরে পাঠকজনের সামনে   ঠিকমতো উপস্থাপন করা সম্ভব হল না বলে দুঃখিত। কাজের চাপ থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়ার জন্য আমরা অফিসের বন্ধু বান্ধবদের নিয়ে সময় ও  সুযোগ অনুযায়ী মাঝে মধ্যে আমাদের দমবন্ধ করা কাজের  পরিস্থিতি থেকে কিছুটা বন্ধনমুক্ত পরিবেশ পাওয়ার জন্য আমরা দল বেঁধে বেড়িয়ে পরতাম।  সেই অনুযায়ী আমরা পাঁচ বন্ধু মিলে ১০ দিনের জন্য  নেপাল ভ্রমণের  পরিকল্পনা করে নিলাম।  আমরা ট্রেনে করে ভারতের রক্সাল সীমান্ত দিয়ে নেপালের বীরগঞ্জে প্রবেশ করে কাঠমান্ডু থেকে এরোপ্লেনে কলকাতায় ফিরে আসার পরিকল্পনা করে নিলাম।  ফার্স্ট হ্যান্ড ইনফরমেশন  হাওড়া থেকে রক্সাল জংশন হয়ে বীরগঞ্জের দূরত্ব প্রায় ৭০৪ কিলোমিটার, ট্রেনে জার্নি টাইম প্রায় ১৮ ঘন্টা। হাওড়া থেকে রক্সাল জংশনের অন্তর্বর্তী...