Posts

Showing posts from August, 2023

৫) ✓✓✓ কর্মজীবনে আমার ভারতদর্শন পর্ব ৫R1৵, খন্ড - ১১/১১

Image
আমার কর্মজীবনে ভারতদর্শন পর্ব ৫, খন্ড ১৷ কালিচরন মুখোপাধ্যায়কে নিশ্চয় পাঠকজনের মনে আছে। তারই স্মৃতি ভান্ডার থেকে তুলে আনা ভারত ভ্রমণের অভিজ্ঞতার কিছু অংশ তার সন্মতিতে তার ভাষায় আবার লিপিবদ্ধ করা হলো।  "কোম্পানির কাজের প্রয়োজনে বিবাহের পূর্বে এবং পরবর্তীকালে আমাকে প্রচুর পরিমাণে ভারতের আনাচে কানাচে সেই সময়ে ঘুরে বেড়াতে হতো। যেটা আমার প্রতি ভগবানের বরদান হিসাবে আমি কর্ম জীবনের সাথে এই ভারত ভ্রমণের সুযোগকে সদ্ব্যবহার করতাম।" ঘটনাটির সঠিক সময়কালের তারিখ মাস বছর এই সময়ের স্মরণ শক্তির ভান্ডার হাতরে পাঠকজনের সামনে ঠিকমতো উপস্থাপন করা সম্ভব হল না বলে দুঃখিত।  এই সময়ে কোম্পানির কাজের প্রয়োজনে ওড়িষার জাজপুরে মেসকো প্রোজেক্টের স্ট্যাকার রিক্লেমার ইরেক্সানের সময় কোম্পানির সাইট ইনচার্জকে সাহায্যের জন্য আমাকে কিছু দিন জাজপুরে পোস্টিং করা হয়। জাজপুরে গ্রামের দিকে আমাদের বাঙলা দেশের মতো বিস্তীর্ন শশ্যা শ্যামলা শস্যভূমি দেখে নিজের দেশের কথা মনে পড়ে গেল।  দূরে মাঝে মাঝে টিলা, তাল খেজুর গাছের সারিবদ্ধ উন্নত মস্তকে অবস্থান। জাজপুর ওড়িষ্যাতে অবস্থিত। বাঙলা ও ওড়িষার মধ্যে ভাষাগত ও খাবার দাবারে...

✓✓✓ বীজ গনিতের ক্যরামতি, পর্ব ২৮, খন্ড - ৩/৩

Image
কালিচরন মুখোপাধ্যায়কে  পাঠকসমাজের মনে আছে নিশ্চয়।  তার অতিক্রান্ত জীব-ন যাত্রার অভিজ্ঞতার সঞ্চয় থেকে  হুলো বিড়াল বার করার ইচ্ছে  থেকেই এই রচনার সৃষ্টি এবং বীজ গনিতের ক্যরামতি। পর্ব - ২৮, এর   কিছু অংশ তার সন্মতিতে তার ভাষায় আবার লিপিবদ্ধ করা হলো।  বীজ গনিতের ক্যরামতি ,  কি জিনিস! !!  তখন বয়স কতই বা হবে। খুব বেশি হলে ১১ কি  ১২। সবে মাত্র ক্লাস ফাইভে পাস করে ক্লাস সিক্সে ওঠার পর গুরু জনদের কথা মত আমার নাকি একটু একটু লেজ গজাতে আরম্ভ করেছিল, যদিও খালি চোখে সেটা কখনো দেখতে পাইনি,   বা গুরু জনদের এবং শিক্ষকদের বেতের কথা মাথায় রেখে তা কখনো তা দেখার চেষ্টা ও করিনি।  সেই সময়ে পড়াশোনার সিলেবাস অনুযায়ী নতুন কিছু বিষয় স্কুলে পড়ানো আরম্ভ হয়েছিল।  যেমন মাতৃভাষা বাংলা, ইংরেজি, ভূগোল, ইতিহাস ছাড়া হিন্দি, সংস্কৃত। বিজ্ঞান বিষয় কে ৩ ভাগে যেমন ভৌত বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, প্রানী বিজ্ঞান হিসাবে ভাগ করে আমাদের মগজের জ্ঞান বৃদ্ধির উদ্দেশ্য সিলেবাসের সংগে জুড়ে দেওয়া হলো।  একই রকম ভাবে গনিত বিষয় কে ও ৩ ভাগে যেমন পাটি গ...

✓✓✓ ভারতদর্শন, পর্ব -৬R1৵,খন্ড-১২ /১২।

Image
ভারত দর্শন পর্ব ৬,  খন্ড ১।  শ্রীযুক্ত কালিচরন মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতি ভান্ডার থেকে তুলে আনা ভারত ভ্রমণের অভিজ্ঞতার কিছু অংশ তার সন্মতিতে তার ভাষায় পুনরায় লিপিবদ্ধ করা হলো।  "আমার কোম্পানির কাজের প্রয়োজনে বিবাহের পূর্বে এবং  বিবাহের পরবর্তীকালে আমাকে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে  ঘুরে ঘুরে কাজ করার প্রয়োজন হতো।  আমার সার্ভিস লাইফস্টাইলকে আমার প্রতি ভগবানের বরদান হিসাবে আমি কর্মজীবনের সাথে আমার লাইফস্টাইলকে মিশিয়ে ভারত ভ্রমণের সুযোগের সদ্ব্যবহার করতাম।" কোম্পানির  সিনিয়র ম্যানেজমেন্টের আদেশে গুজরাতের কচ্ছ জেলার গান্ধীধাম পোর্টের কাছে আমাকে একটি ক্যামিকাল সার তৈরির কোম্পানি  ইন্ডিয়ান ফার্মাস ফার্টিলাইজার কোম্পানিতে (IFFCO) তে স্পেশাল কনসাইনমেন্টে ৩ বছরের জন্য পোস্টিং করা হয়।  গান্ধীধামে আমার পোস্টিং এর সঠিক সময়কালের তারিখ মাস বছর এই সময়ের স্মরণ শক্তির ভান্ডার হাতরে পাঠকজনের সামনে ঠিকমতো উপস্থাপন করা সম্ভব হল না বলে দুঃখিত।  হাওড়া থেকে গান্ধীধাম যাওয়ার জন্য সেই সময়ে সরাসরি কোনো ট্রেন ছিল না। হাওড়া থেকে গান্ধীধামের দূরত্ব ২৫২৬ কিলোমিটার, হ...

৪) ✓✓✓ কর্মজীবনে আমার ভারতদর্শন পর্ব ৪ R1৵ , খন্ড - ৮ / ৮

Image
আমার কর্মজীবনে ভারতদর্শন - পর্ব  ৪, খন্ড ১  কালিচরন মখোপাধ্যায়কে নিশ্চয় পাঠকজনের মনে আছে। তারই স্মৃতি ভান্ডার থেকে তুলে আনা ভারত ভ্রমণের অভিজ্ঞতার কিছু অংশ তার সন্মতিতে তার ভাষায় আবার লিপিবদ্ধ করা হলো।  "পাপি পেটের তাগিদে এবং কোম্পানির বিশেষ প্রয়োজনে বিবাহের পূর্বে আমাকে ভারতের আনাচে কানাচে সেই সময়ে ঘুরে বেড়াতে হতো। যেটা আমার প্রতি ভগবানের বরদান হিসাবে আমি কর্ম জীবনের সাথে এই ভারত ভ্রমণের সুযোগের সদ্ব্যবহার করতাম।" সম্ভবত ১৯৯৩ সালে কোনো একটি যন্ত্রদানবের (যার সম্পূর্ণ ওজন প্রায় ৬০০ মেট্রিক টন) একটি অংশ রানিগঞ্জের একটি সাব ভেন্ডার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানিকে তৈরি করতে বরাত দেওয়া হয়েছিল।  যন্ত্রটির অংশটি প্রায় যখন প্রায় ৯০ ভাগ তৈরি হওয়ার মুহূর্তে, রানিগঞ্জের বরাত পাওয়া সাব ভেন্ডার কোম্পানির শ্রমিকদের দাবি দাওয়ার পুরনের দাবিতে শ্রমিকরা কোম্পানির উৎপাদনের কাজ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় এবং শ্রমিক ইউনিয়নের লোকেরা কোম্পানির প্রবেশ পথ অধিকার করে প্রায় ২৪ ঘন্টা ধর্নায় বসে যায়। কিন্তু ঐ যন্ত্রটির বাকি সব অংশ ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তে তৈরি হয়ে যাওয়ার কারনে সেইসব অংশগুলো কোম্পানির ক্ল...

৩) ✓✓✓ কর্মজীবনে আমার ভারত দর্শন - পর্ব ৩ R1৵, খন্ড - ৩ / ৩

Image
আমার  ভারতদর্শন । আমি কালিচরন মুখোপাধ্যায়।  অভিজ্ঞতার স্মৃতিকোঠা প্রকাশ করার পূর্বেই নিজের পরিচয় পর্ব নতুন করে পুনরায় উপস্থাপনা করা নিষ্প্রয়োজন মনে করি।  কর্মজীবনে  ১৯৮২ থেকে ১৯৯১ এই সুদীর্ঘ ৯ বছর একই ধরনের ঘটনার বারংবার পুনরাবৃত্তি হতে লাগলো।  মোটামুটি কোম্পানির কাজের প্রয়োজনে বছরে ৩৬৫ দিনের মধ্যে গড়পড়তা ৩০০ দিনই পরিবার, বাড়ি, আত্মীয়স্বজন, সামাজিকতা, বন্ধুবান্ধব,   থেকে দুরে থাকতে বাধ্য হতাম। তার মধ্য ১০০ দিনই ট্রেনে সময় কাটাতে হতো।  সেই সময়ে হাওড়া থেকে দিল্লি, মুম্বই, মাদ্রাজ, গৌহাটি রুটের সমস্ত ট্রেনের সমস্ত কোচ টিকিট চেকারদের সাথে, রেলওয়ে ক্যাটারিং স্টাফদের সাথে,  হাওড়া রেলওয়ে স্টেশনের টিকিট বুকিং স্টাফদের সাথে এমারজেন্সি চার ঘন্টা সময়ের মধ্যে অফিস টুরের প্রয়োজনে টিকিট রিজার্ভেশনের উদ্দেশ্যে টাকা পয়সা খরচ করে ভালোই সম্পর্ক তৈরি রাখতে হয়েছিলো। ফলস্বরূপ অফিসের টুরের প্রয়োজনে হাওড়া স্টেশন থেকে রিজার্ভেসনের না হওয়ার কারণে কখনোই ফেরৎ আসার প্রয়োজন হতো না।  ঝড়, বৃষ্টি, শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা, সামাজিক উৎসব, শরীর খারাপ কিছুতেই কাজের ছাড় ছিল না। মনে আ...

৵৵✓ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং জীবন দর্শন - পর্ব ২১, খন্ড - ৫ / ৫

Image
ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং জীবন দর্শন - পর্ব ২১,     খন্ড- ১। কালিচরন মুখোপাধ্যায়কে নিশ্চয় পাঠকসমাজের মনে আছে।  তারই এবড়োখেবড়ো পোড় খাওয়া জীবনের তিনকুল সময় অতিবাহিত হয়ে যাওয়া জীবনে তারই স্মৃতি ভান্ডার থেকে তুলে আনা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং তার জীবন দর্শন - পর্ব ২২ কিছু অংশ তার সন্মতিতে তার ভাষায় আবার লিপিবদ্ধ করা হলো।  "গত করোনা মহামারীর সময় দেখা গেছে বহু তথাকথিত ধণাঢ্য বাঙ্গালী, যাঁরা সন্তানদের পড়িয়ে লিখিয়ে দিগ্গ্বজ বানিয়ে বিদেশের মাটিতে 'মানুষ' হতে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু সন্তানরা বিদেশী চাকরির সুখ - স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে সেই বিদেশের মাটি ছেড়ে পরিবারের প্রয়োজনে দেশে ফিরে আসতে  পারেননি।  তারা এতটাই বড় 'মানুষ' হয়ে গিয়েছিলেন যে, দুর্বিপাকের দিনে একা - একা মরতে বসা বাবা মা-কে সঙ্গ দিয়ে বাঁচাতে সেই সময়ে কেউ বিদেশ থেকে দেশে আসতে  পারেন নি ।  তাঁদের এখানকার প্রপার্টি ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ / রামকৃষ্ণ মিশন প্রভৃতি ধর্মীয় / আধ্যাত্মিক সংগঠনের হাতে তুলে দিয়ে তারা মরে বেঁচেছেন । এটা খুবই দুঃখজনক ব্যাপার ,  কিন্তু আজকের এই পরিস্থিতির জন্য আপনার সন্...