Posts

Showing posts from July, 2023

৵৵✓ Farakka Barrage, Section 31, Part - 3/3

Image
NOSTALGIC CHILDHOOD MEMORY OF CROSSING THE GANGES BY FERRY IN CALCUTTA – SILIGURI RAIL ROUTE KALICHARAN MUKHERJEE FEELS TO SHARE HIS KNOWLEDGE REGARDING ABOVE SUBJECT. I would like to share the knowledge about crossing of the Ganges by Ferry run by Railways, which might be of interest to those who have not experienced the same and also as a nostalgia to those who had travelled in that Route. To understand this fully by the younger generation, one has to go through little History of Calcutta – Siliguri Rail Route. So I start from the history (collected from various articles on Indian Railways from the net) with my experience coming in due time in this chronicle. During the British period, all connections to North Bengal were through East Bengal (now Bangladesh). Calcutta – Siliguri Rail Route was in two laps. The first lap was a 185 km journey over Broad Gauge track started in 1878 under Eastern Bengal State Railway from Calcutta Station (later renamed Sealdah) to Damookdeah Ghat on the...

৵৵✓ সুন্দরী, পর্ব ২৩, খন্ড - ১/১।

Image
বহুদিন পর শ্রীযুক্ত কালীচরণ মুখোপাধ্যায় মহাশয় তার রচিত সুন্দরী র আত্মকথা ধারাবাহিক কাহিনী - পর্ব ২৩ এর কিছু অংশ তাঁরই অনুমতিক্রমে প্রকাশ করা হল।  প্রিয় রসিকজন, এমনিতে আমি বেশ সুন্দরী। সবাই কেমন হামলে পড়ে আমায় দেখলে। আজ একটু রূপচর্চা করেছি। প্রথমে একটা নুন হলুদের স্ক্রাবার। তারপর সর্ষে-পোস্ত-দইয়ের প্যাক। আমার আবার সর্ষের তেল ছাড়া অন্য কিছুই স্যুট করে না। তাই নমনীয়তা বজায় রাখতে উপযুক্ত পরিমাণ তেল ও দিয়েছি।  এরপর?  হালকা করে "স্টীম বাথ"। আমার বিউটি সিক্রেট ডিসক্লোজ করে দিলাম!  আপনাদের লোলুপ দৃষ্টি দেখেই বুঝতে পারছি, কেমন রূপসী হয়ে উঠেছি!  ব্যস, আমি রেডি, আজকের ডেটের জন্য! ........... ইতি                                        আপনাদের আরাধ্যা                                            ভাপা ইলিশ নমস্কারান্তে ।।।। কেল্টো মহাশয়।  তাং - ...........

✓✓✓ আসাম, ত্রিপুরা ভ্রমণের কাহিনী - পর্ব ১৬, খন্ড - ৫ / ৫।

Image
আমার ধারাবাহিক আসাম, ত্রিপুরা ভ্রমণের কাহিনী  - পর্ব ১৬, খন্ড ১। পাঠকজনের বহু পীড়াপীড়ি এবং বহু অনুরোধের পর অনেক দিন পর শ্রীযুক্ত কালীচরণ মুখোপাধ্যায় মহাশয় আজ থেকে প্রায় ৬০ বছর আগে তার শৈশবকালে (৮ বছর বয়সের)  ভ্রমণপর্বের কাহিনীর অসপষ্ট হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি ভান্ডার থেকে তুলে আনা কাটিহার, লামডিং, বদরপুর ও ত্রিপুরা ভ্রমণ কাহিনীর অভিজ্ঞতার কিছু অংশ তাঁরই অনুমতিক্রমে প্রকাশ করা হল।  ঘটনাটির সঠিক সময়কালের তারিখ মাস বছর এই সময়ের স্মরণ শক্তির ভান্ডার খুঁজে পাঠকগনের সামনে   ঠিকমতো উপস্থাপন করা সম্ভব হল না বলে দুঃখিত।  স্কুলে গরমের ছুটি পড়ে গেছে, ঘরের বাইরে গরম  আবহাওয়া বৃষ্টির অভাবে টেকা দায়। মে মাসের শেষে হঠাত্ দেখলাম বাবা সংগঠনের বাৎসরিক সন্মেলনে বদরপুর যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছেন। বাবার কাছে বায়না করলাম আমাকে বাবার সংগী হিসাবে বদরপুর  নিয়ে যাওয়ার জন্য।                                                  ✓    ক্রমশঃ  ...

✓✓✓ আমার ধারাবাহিক গোরক্ষপুর ভ্রমণ কাহিনী - পর্ব ৮R1৵,খন্ড - ৩/৩

Image
আমার ধারাবাহিক গোরক্ষপুর ভ্রমণ কাহিনী - পর্ব ৮, খন্ড ১। পাঠকজনের বহু পীড়াপীড়ি এবং  অনুরোধের পর বহুদিন পর শ্রীযুক্ত কালীচরণ মুখোপাধ্যায় মহাশয় আজ থেকে প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ বছর আগে তার শৈশবকালে (৮ থেকে ১২ বছর বয়সের মধ্যে)  ভ্রমণপর্বের কাহিনীর  হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি ভান্ডার থেকে তুলে আনা গোরক্ষপুর ভ্রমণ কাহিনীর অভিজ্ঞতার কিছু অংশ  প্রকাশ করা হল।  'আমার বাবা ভারতীয় রেলওয়ের কর্মচারী হওয়ার কারণে বাবা সপরিবারে বিনা পয়সায় ট্রেনে ভ্রমণ করার জন্য বছরে ৩ সেট রেলওয়ে পাস এবং ৬ সেট পিটিও পেতেন।' বাবা বিভিন্ন ধরনের সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন। সেই সংগঠনের কাজে বাবা প্রায়ই সারা বছর ছুটিছাটাতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতেন।  ছোটবেলা থেকেই স্কুলের গরমের এবং পূজার ছুটিতে আমি ও সময় এবং সুযোগ অনুযায়ী বাবার সংগে দেশ ভ্রমণের নেশায় বাবার সাথে বেরিয়ে পড়তাম।  ঘটনাগুলোর সময়কালের সঠিক তারিখ মাস বছর এই সময়ের স্মরণ শক্তির ভান্ডার হাতরে পাঠকজনের সামনে ঠিকমতো উপস্থাপন করা সম্ভব হল না বলে দুঃখিত।                     ৵    ...

✓✓✓ভারত দর্শন - পর্ব ৭R1৵,খন্ড-৫/৫

Image
 ভারতদর্শন - পর্ব  ৭, খন্ড ১৷ বহুদিন পর শ্রীযুক্ত কালীচরণ মুখোপাধ্যায়ের ভ্রমণ কাহিনীর স্মৃতি ভান্ডার থেকে তুলে আনা ভারত ভ্রমণের অভিজ্ঞতার কিছু অংশ তাঁরই অনুমতিক্রমে প্রকাশ করা হল।  ঘটনাটির সঠিক সময়কালের তারিখ মাস বছর এই সময়ের স্মরণ শক্তির ভান্ডার হাতরে পাঠকজনের সামনে ঠিকমতো উপস্থাপন করা সম্ভব হল না বলে দুঃখিত।  আসামের নওগাঁ জেলায় জাগিরোডে হিন্দুস্তান পেপার করপোরেশন লিমিটেড (এইচ পি সি এল) কোম্পানির অন্তর্গত নওগাঁ পেপার মিল প্রোজেক্টটি নির্মাণলগ্নে কলকাতা থেকে ১৫ জন লেবার সমেত আমার ৩ বছরের জন্য পোস্টিং অর্ডার হাতে ধরিয়ে দেওয়ার পর বাক্স প্যাঁটরা গোছগাছ করে  জাগিরোড যাওয়ার তোড়জোড় আরম্ভ করে দিলাম।  হাওড়া থেকে গৌহাটি জংশনের দুরত্ব ১০৫০    কিলোমিটার, হাওড়া থেকে গৌহাটির জার্নি টাইম প্রায় ২৩ ঘন্টা।  হাওড়া থেকে সন্ধ্যা ৬.৩০ তে কামরূপ এক্সপ্রেস   ট্রেনে টিকিট কেটে লোটা কম্বল নিয়ে হাওড়া স্টেশনে পৌছে শুনলাম খারাপ আবহাওয়ার কারণে ডাউন কামরূপ এক্সপ্রেস হাওড়া স্টেশনের না পৌছানোর কারনে আপ কামরূপ এক্সপ্রেস অনির্দিষ্টকালের জন্য হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়তে দেরী ...

৵৵✓ বালাই ষাট , পর্ব ২৭, খন্ড - ১/১

Image
কালিচরন মুখোপাধ্যায়কে নিশ্চয় পাঠকসমাজের মনে আছে।  তার অতিক্রান্ত জীব-ন যাত্রার অভিজ্ঞতার সঞ্চয় থেকে  হুলো বিড়াল বার করার ইচ্ছে  থেকেই এই রচনার সৃষ্টি এবং বালাই ষাট , পর্ব ২৭ ,   কিছু অংশ তার সন্মতিতে তার ভাষায় আবার লিপিবদ্ধ করা হলো।  বালাই ষাট,  কি জিনিস! !!  কিনতে গিয়ে লঙ্কা জাগল মনে শঙ্কা। দাম জেনে আদার ইচ্ছে হল কাঁদার। টোম্যাটো কিলো দেড়শো কিনলাম তাই একশো। বেগুন কিলো একশো কুড়ি শুনেই ভাবি,কি যে করি! প্রায় দু'শো ক্যাপসিকাম দাম শুনেই দিল ঘাম। তিনশো টাকা কিলো ধনে শুনে দুঃখ পেলাম মনে। মুদিখানার মশলা জিরে ঠিক যেন আসল হীরে। ঝিঙে-পটল সব ষাট আমি বলি,'বালাই ষাট।' আলুটাই যা সস্তা নিলাম হাফ বস্তা। পোস্ত,খাসি কিনি না তাই দাম জানি না। একশো টাকা উচ্ছে শুনেই মাথা ঘুরছে। শশার কিলো আশি এবার তবে আসি। বেঁচে থাক মুরগীগুলো দিয়ে যাক ডিম। আমরাও তো মুরগী এখন বেঁচে থাকতে খাচ্ছি হিমসিম। নমস্কারান্তে ।।।। কেল্টো মহাশয়।  তাং - ..............                                 ...

হাওড়া রেলওয়ে টাইম টেবল।

Image
হাওড়া থেকে ব্যান্ডেল যাবার পথে যে সকল স্টেশন গুলি পড়ে তাদের নামের মজার ছড়া মনে রাখুন । হাওড়া থেকে লোকাল ট্রেনে ব্যাণ্ডেল যাও চ'লে,  ছড়ার মাঝে স্টেশন গুলোর নাম দিচ্ছি বলে। খোকা বলছে পাচ্ছে খিদে দাও মা হালুয়া,  মা বলছে অপেক্ষা কর আসছে লিলুয়া ।। রামকৃষ্ণ বলছে, গিরীশ- নরেন কতদূর ? শিষ্য বলে গুরুদেব নিকটেই বেলুড়। পাকা ঘরে ছাদ ছিল না মাথার উপর টালি,  খালের জলে ধুলো ময়লা নামটা হল বালি। নিথর হয়ে ঘুমিয়ে আছে দিচ্ছে না কেউ সাড়া,  খোকা বলে তবে কি মা এটা উত্তরপাড়া ?  কারখানাটা বন্ধ হল মালিক এমন কঠোর ,  মা বলছে খোকা এবার এসেছে হিন্দমোটর।  খোকা মা'কে প্রশ্ন করে এটা মা কোন্ নগর ?  মা বলছে ঠিক ধরেছিস এটাই তো কোন্ননগর। তোতা পাখি পুষবে খোকা কিনে আনে পিঁজরা,  পরের স্টেশন নেমে যাবে এসে গেছে রিষড়া । খোকা বলে শোনো মাগো ভক্তগণের সুর,  'জয় শ্রীরাম' আওয়াজ ওঠে এটা শ্রীরামপুর।  বাঁশের বাঁকে ঘট নিয়ে যায় শিবের ভক্তগুলি,  গঙ্গাঘাটে জল ভরবে নামে শেওড়াফুলি । এক সময়ে ছিল সেথায় বৈদ্যদের ঘাঁটি,  তাদের নামেই নাম হয়েছে স্টেশন বৈদ্যবাটি । জ্ঞানিগুণী ভদ্রজনে ...

✓✓✓ বুড়োদের আত্মকথা, পর্ব ২০, খন্ড - ১/১.

Image
বুড়োদের আত্মকথা, পর্ব  ২০,খন্ড ১।  পাঠকজনের বহু পীড়াপীড়ি এবং অনুরোধের কারনে   বহুদিন পর শ্রীযুক্ত কালীচরণ মুখোপাধ্যায় মহাশয় তার রচিত বুড়োদের আত্মকথা ধারাবাহিক কাহিনী - পর্ব ২০ কিছু অংশ তাঁরই অনুমতিক্রমে প্রকাশ করা হল।  "বুড়োদের বুড়ো বল্লে তাদের অভিমান হয় এবং রেগে যায়। তাদের বক্তব্য তাদের সারাজীবনের অক্লান্ত পরিশ্রম করে উপার্জন করা অভিজ্ঞতার সঠিক মূল্যায়ন কেউ করতে পারে না। তাই নিম্নের পয়েন্ট গুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা করার দরকার এবং আলোচনা  করা জরুরি এবং আর ও বিশদে গবেষণার প্রয়োজন আছে ।  বুড়ো কতপ্রকার হয়? নিজে বুড়ো হওয়ার পর ভেবে ভেবে খুবই হতাশ হয়েছি। সেই হতাশার কারণ আমি পরিস্কার বুঝতে পারছি বুড়োরা খুব সুবিধার নয়। বুড়োদের আবার অনেক প্রজাতি আছে। উদাহরণ সহযোগে এগোলে ব্যাপারটা বুঝতে সুবিধা হবে। কোনো জায়গায় এই গবেষণাপত্রটি যথাযথ মূল্য পাবে না ১০০ ভাগ নিশ্চিত হয়ে এটা আমি ফেসবুক ইউনিভার্সিটির জার্নালে বিনি পয়সায় প্রকাশ করবো বলে মনস্থির করেছি। ১) শুড্ডাবুড়োঃ - এরা পেটরোগা হয়। এরা বেশিবার বড় বাইরে যায়, হয় অধিক ফললাভ করে অথবা ফল অধরাই থাকে। তবে দুনিয়ার সব পেটরোগা...

✓✓✓ সিকিম দার্জিলিং এর ভ্রমণের অভিজ্ঞতার কাহিনী, পর্ব ১২, খন্ড - ১৪/১৪

Image
আমার সিকিম দার্জিলিং এর ভ্রমণের অভিজ্ঞতার কাহিনী পর্ব ১২, খন্ড ১ ৷ অনেক অনুরোধের পর বহু দিন পর শ্রীযুক্ত কালীচরণ মুখোপাধ্যায় মহাশয় বন্ধুর বাড়ি ঘুরতে এসে এক বৃষ্টির দিন দুপুরবেলায় খাওয়ার পর কোনোরকম ভুমিকা না করেই তাহার সিকিম, গ্যাঙ্গটক, নাথুলা পাস, নাথুলা লেক, দার্জিলিং, লাভা, লোলেগঁও, পেলিং ইত্যাদি স্থানের ভ্রমণের অভিজ্ঞতার পর্ব বর্ণনা করলেন। তখন কলকাতার গরম কখনো কখনো এতই সহ্যের সীমা অতিক্রম করেছিল যাহা বর্ণনার অতীত। তার সাথে আবার তার দোসর ক্ষনে ক্ষনে লোডশেডিং।  দিনের বেলায় অসহ্য গরম, তার সাথে অসহ্য ঘাম। রাতে গরমে ঘুমের দফারফা।  মাসটা বোধহয় ২০০৫ সালের মে -  জুন মাস হবে। দুই কন্যার (বয়স যথাক্রমে  ৬ এবং ১৪)  স্কুলে ও গরমের ছুটি পড়ে গেছে। ঘরের বাইরের আবহাওয়ার সাথে সাথে এই অসহ্য প্রচন্ড গরমে ঘরের ভেতরের আবহাওয়া ও গরম। অগত্যা তিন বন্ধুর (শ্যামল, মলয়, সুকুমার) সাথে আলোচনা করে বাচ্চাদের এই গরমের ছুটির মধ্যেই দুই সপ্তাহের জন্য সপরিবারে দার্জিলিং (ঘুম,টাইগার হিল,রক গার্ডেন, মিরিক, বাতাসিয়া লুপ, পিশ প্যাগোডা, হংকং মার্কেট, লাভা, লোলেগঁও,রিশপ) সিকিম (রবাঙলা, লাচুং, নামচি, ...