Posts

Showing posts from December, 2022

আমি কি চাই।

Image
আমি কি চাই । প্রথমেই আমাকে ঠিক করতে হবে আমি সত্যিই  ঠিক কি চাই।  *২০১৯ - ২০২০ - ২০২১  - ২০২২* এই সুদীর্ঘ তিন বছরের সময় কালে করোনার চিত্র কি তাহা আমার কাছে কিছু  নতুন কিছু কি ? কিন্তু আমি কি সত্যিই সুস্থ সফলভাবে বাচতে চাই। আমার জীবনের প্রায়োরিটি লিস্টে প্রথমে কিন্তু  জীবন উপভোগ করা।  দলবদ্ধ ভাবে হৈ হূল্লুর করে পার্টি , বনভোজন, দুর্গাপূজা, দেদার বাজি ফাটিয়ে দেওয়ালি, ছট, কালীপূজা, মেরী ক্রিসমাস,  ২৫শে ডিসেম্বরের থেকে পয়লা জানুয়ারির গেট টুগেদারের বনভোজনের আনন্দ উপভোগ করা, রাজনৈতিক দ্বায় দ্বায়িত্বে দলবদ্ধ ভাবে হৈ হূল্লুর করে অংশ গ্রহণ করা ইত্যাদি ইত্যাদি, কেননা যদি পরবর্তীকালে আমি এইসব  হৈ হূল্লুর করার আর কখনো সুযোগ না পাই। অথচ বিগত করোনা কালে আমরাই আমাদের (প্রতিবেশীদের নয়) ভাই, বোন,দাদা, দিদি, বাবা, মা, কাকা, কাকিমা, জ্যঠা, জ্যঠিমা, দাদু, দিদিমাকে চিরতরে হারিয়েছি, আমি করোনার এফেক্টে অসুস্থ অবস্থায় কর্ম জীবন থেকে দূরে থাকতে বাধ্য হয়েছি। আমি সত্যিই কি সুন্দর ও সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকতে চাই   ???

১) #✓✓✓ কর্মজীবনে আমার ভারত দর্শন - পর্ব ১R1৵, খন্ড - ৫/ ৫

Image
আমার কর্ম জীবনে ভারতদর্শন - পর্ব ১, খন্ড ১।  ভূমিকা টা প্রথমেই সেরে নেওয়া যাক। আমার নাম কালিচরণ মুখোপাধ্যায়, পাঠকজন ভুলে যাননি নিশ্চয়।  আমার কর্মজীবন শুরু হয় ধানবাদের একটি ছোট্ট কোল ওয়াশারি মুনিডিহ থেকে।  দশ বারো জনের গঠিত টিমের (ইঞ্জিনিয়ার, কোম্পানির অফিস স্টাফ, স্টোর কিপার, লেবারের) জন্য থাকার ফ্রী ব্যবস্থা কোলকাতার কোম্পানির অস্থায়ী ক্যাম্প কোলিয়ারি কাম ওয়াশারির লেবার কোয়াটার।  একটি মাত্র ওয়াশ কাম টয়লেট কাম বাথরুম। একটি ছোট্ট একজন সদস্যের নড়াচড়া করার উপযুক্ত রান্না ঘর, দুইটি ছোট্ট বেডরুম সহ লেবার কোয়াটার।  ওয়াশারির অপরিশোধিত টাইম-জলকল, রান্নার জন্য কোলিয়ারির ফ্রী কাঁচা কয়লা।  প্রাত্যহিক বারো ঘন্টা ডিউটি টাইম সকাল আট টা থেকে রাত আটটা। আমাদের কাজ ছিল ভারত কোকিং কোল  লিমিটেডের বিভিন্ন কোলিয়ারি এবং ওয়াশারির জন্য পাওয়ার ম্যানুফ্যাকচারিং এবং সাপ্লাই পাওয়ার প্ল্যান্ট তৈরি করা। সেই উদ্দেশ্যে বিদেশ (জার্মান, গ্রেট ব্রিটেন, সুইডেন, রাশিয়ান ইত্যাদি বিভিন্ন দেশের বিশাল ক্ষমতাসম্পন্ন ৫.৫ মেগা ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ডিজেল জেনারেটর) থেকে আনা ডিজেল জেনারেটর  ইরেক...

✓৵৵ আমার ধারাবাহিক ভারত দর্শনের কাহিনী , পর্ব - ৪০, খন্ড - ২১/২১

Image
৵ আমার ধারাবাহিক ভারতদর্শনের কাহিনী, খন্ড ১। ------------------------------------------------------------ আমার নাম কেল্টো বলেই একশোভাগ পরিচিত মহল ডাকে।  কালু বলে ষাট শতাংশ পরিচিতি মহল জানে। আর কলীচরন মুখোপাধ্যায় নামে অতি সামান্য কুড়ি শতাংশ মহলে পরিচিত ।  কিন্তু আমার গায়ের রং কুচকুচে কালো তো নয়ই এবং ধপধপে সাদা গৌড় বর্ন ও নয়, বরং শ্যামবর্ণ। মা বাবার প্রদত্ত দেয় নাম এটি । আমি শৈশব, কৈশোর, যৌবনকাল অতিবাহিত করে  বার্ধক্য কালে পদার্পন করে বানপ্রস্থ জীবনের দিকে রুটমার্চ করে বুক ফুলিয়ে এগিয়ে চলেছি। বাধর্ক্যজনিত স্বাভাবিক কারনেই অসুস্থতা এখন নিত্যসঙ্গী।  কিন্তু আমার বিগত তিন কালে ঘটে যাওয়া কিছু অম্ল মধুর ঘটনার স্মৃতিচিন্হ রেখে  যেতে চাই,  যদিও জানি এই বিগত অতিবাহিত বিবরণীর কোনো বাজার মূল্যো নেই, যার বাজার মূল্য ছেড়া কাগজরের মত ডাবল জীরো। আমি খুবই শান্তশিষ্ট, লেজবিসিস্ঠ ...........বাবা মায়ের খুবই বাধ্য (পড়বেন অবাধ্য) সন্তান ছিলাম। পড়াশোনায় মোটামুটি। প্রথম শ্রেণী থেকে ইলেভেন শ্রেণী অবধি স্থানিয় বিদ্যালয়ে এক থেকে দুই স্থানের এর মধ্যে বিচরণ করতাম।  ১)  বিদ্যাল...

৵৵৵গুগুল সার, পর্ব - ১৬R1৵,খন্ড - ১/১।

Image
পান্তা ভাত খাওয়া কেন্ল্টোবুড়োর হাবিজাবি ভিমরতী। গুগল সার গুগল যদি শেখায় সবই কেমন করে চলবে? ঠাম্মা দিদা আদর করে গল্প কি আর বলবে? দাদুর কাছে শক্ত বানান কেউ কি এখন শিখছে?  স্লেট-পেন্সিলসামনে রেখে বাচ্ছারা কি লিখছে ? অনলাইনে অঙ্ক শিখে কানমলা কেউ খায় না, ভোরবেলাতে ফাটিয়ে গলা নামতা শেখা হয় না। সেলফোনেতেই হচ্ছে পড়া গুগল আসল মেষ্টর ব্ল্যাকবোর্ডে আর পড়ছেনা দাগ হারিয়ে গেছে ডাষ্টার । " নিলডাউনের " চল কি আছে? " বেঞ্চে দাঁড়াও ! বন্ধ, বকলে টিচার পাচ্ছে লোকে অত্যাচারের গন্ধ। ( নিল-ডাউন নামক সুমধুর শব্দ টি আজকালকার বাচ্চাদের কাছে অপরিচিত, এবং এর মানে কি 100% বাচ্চারা নিশ্চিত ভাবেই জানেনা ) ক্লাস ফোরেতে নাইনটিফাইভ ! অমনি ভুরু কুঁচকে, বাপ-মা ভাবেন একশো কেন পাচ্ছেনাকো পুঁচকে? শুনছি এখন আইকিউটা থাকতে হবে বিস্তর, পরীক্ষাতে একশো পেতে সেটাই নাকি অস্তর আইকিউতে কমতি হলেই বাপ মা করেন মুখ ভার, দশ বছরেও বাচ্ছারা তাই ডিপ্রেশনে জেরবার। আমরা ছিলাম মূর্খ গবেট নয়কো মোটেই বোদ্ধা, কিন্তু আবার ছোট্টো থেকেই খুব লড়াকু যোদ্ধা । কানমলা আর চড়চাপাটি এসব ছিলো জলভাত, থাকতো ক্লাসে ব...

মা বাবার সন্তানের প্রতি কর্তব্য,আশা, আবদার, আবেদন

Image
মা বাবার সন্তানের প্রতি কর্তব্য এবং  সন্তানের কাছে আশা, আবদার, আবেদন।  একটি বাচ্চা,  জন্মের পর সর্বপ্রথম তার ডাক মা, যেটা তাকে কাউকেই শেখাতে হয় না, প্রকৃতির নিয়মেই শিখে যায়। তারপর বাবা, দাদা, দিদা ইত্যাদি  ............ শেখে। আজকালকার আর্থসামাজিক বর্তমান পরিস্থিতির কাঠামো অনুযায়ী মা বাবার কাছে প্রার্থনা, যেকোনো শিশুর  জন্মলগ্নে সদ্যযাত শিশু ছেলে কি মেয়ে সেটা জানার জন্য উদগ্রীব না হয়ে বা চেষ্টা  না করে সদ্যযাত সন্তান সুস্থ সবল কিনা বিশেষ ভাবে সেটা জানার জন্য বেশি চেষ্টা করা, উৎসাহিত হওয়া। যেকোনো শিশু সন্তান কাঁচা মাটির ডেলার মতো।  তাকে জীবনের প্রথম দিন থেকে যেভাবে সুস্থ সবল (রুচি, শিক্ষাদিক্ষা , পারিবারিক ও সামাজিক রুচিবোধ) পরিবেশে মানুষ করবেন সে সেইভাবেই পরবর্তীকালের জন্য তৈরি হবে। জীবনের প্রথম দিন থেকে সবার সাথে মিলেমিশে, সমবেতভাবে খাওয়া দাওয়া ও থাকার শিক্ষা পাবে সেই শিক্ষার অভ্যাসকেই রপ্ত করে সে সারাজীবন সুস্থ ও সফলভাবে জীবন অতিবাহিত করার যোগ্যতা অর্জন করার সুযোগ পাবে।  বাচ্চার যেকোনো প্রয়োজন জীবনের প্রথম দিন থেকে শেষ দিন অবধি মা বাবা...